---Advertisement---

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন নির্দেশনা; ইসি

By Suman Debnath

July 22, 2026 1:40 PM

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন নির্দেশনা; ইসি

---Advertisement---


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি ও ভূমি করসহ বিভিন্ন সেবার বিলখেলাপি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


একই সঙ্গে পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার আইনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করা হয়েছে।


ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনগত ব্যাপার। আমরা প্রস্তাব পাঠাবো স্থানীয় সরকার বিভাগকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ যদি আমাদের প্রস্তাব উপযুক্ত মনে করেন তাহলে তারা সেভাবে ব্যবস্থা নিবেন।


মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।


এর আগে বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৬টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


ইসি সচিব বলেন, আজকে মূলত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সাথে যে আইনগুলো আছে, পাঁচ স্তরের-সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং জেলা পরিষদ। এই আইনগুলোর ভেতরে আমাদের কমিশনের বিবেচনায় যে সমস্ত জায়গায় কিছু কিছু মনে হয়েছে যে স্ট্রিমলাইন করা দরকার, আমরা সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।

আরও পড়ুন:  হবিগঞ্জে এনসিপির বহরে হামলা: ছাত্রদল সভাপতিসহ আসামি ১১১, সাড়ে ৪ ঘণ্টা ব্যারিকেডের পর কামাইছড়ায় মামলা দায়ের


তিনি বলেন, কমিশনের মত হলো এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। এ ছাড়া বর্তমানে ব্যক্তিগত ঋণখেলাপিদের পাশাপাশি কোনো ঋণের গ্যারান্টার হয়েও খেলাপি হলে তাকেও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাবে কমিশন সম্মত হয়েছে।


ইসি সচিব জানান, বর্তমানে সব আইনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সমানভাবে উল্লেখ নেই। তাই সব আইনেই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবে কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।


তিনি বলেন, শুধু ব্যাংক ঋণ নয়, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, ভূমি করসহ বিভিন্ন সরকারি বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিলখেলাপিদেরও প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতার আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্ণধারের প্রতিষ্ঠানের নামে বকেয়া থাকলেও সেটি অযোগ্যতার কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে।


এ ছাড়া লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না রাখার বিষয়ে কমিশন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন:  হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৮৪


ইসি সচিব বলেন, এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়- সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।


জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে কি পরিবর্তন আসছে- এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, সবগুলোর ভেতরে সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা।


তিনি বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনগত ব্যাপার। কমিশনের আলোচনায় গৃহীত আইন সংশোধনের প্রস্তাবগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আচরণ বিধিমালাও সংশোধন করা হবে বলে তিনি জানান।


আমার বাঙলা/ হুমায়রা

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment