---Advertisement---

আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার জৈব কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ছে, ৫১ বিদেশি ক্রেতার অংশগ্রহণ!

By Suman Debnath

August 10, 2026 7:59 PM

আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার জৈব কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ছে, ৫১ বিদেশি ক্রেতার অংশগ্রহণ!

---Advertisement---

আগরতলা, ১০ আগস্ট: ত্রিপুরায় জৈব চাষের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগে যেখানে রাজ্যে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে জৈব চাষ হতো, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার হেক্টরে। একইসঙ্গে প্রায় ৪৭ হাজার কৃষক বর্তমানে জৈব কৃষির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতন লাল নাথ।

সোমবার আগরতলার একটি পাঁচতারা বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল অর্গানিক বায়ার-সেলার মিট-এর পাশে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই তথ্য জানান মন্ত্রী।

রতন লাল নাথ বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যকে গ্রাম, জেলা ও রাজ্যস্তর থেকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষকদের নিজেদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বাজারজাত করার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি ফার্মার প্রোডিউসার অর্গানাইজেশন (FPO) এবং ফার্মার প্রোডিউসার কোম্পানি (FPC)-গুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আরও পড়ুন:  আজীবনের সঞ্চয় ১ কোটি টাকা দান অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক দম্পতির

আন্তর্জাতিক বায়ার-সেলার মিটে বিদেশি ক্রেতাদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও বিশেষভাবে তুলে ধরেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি জানান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও মিশরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৫১ জন আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। ত্রিপুরার কৃষিপণ্যের প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের এই আগ্রহ রাজ্যের জৈব উৎপাদনের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্ভাবনা বৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বলে জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার অন্যতম পরিচিত পণ্য ‘কুইন পাইন্যাপল’। এর পাশাপাশি সাবরি কলা, কাঁঠাল, সুগন্ধি লেবু, কুমড়ো, আদা এবং উন্নতমানের হলুদও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। এসব কৃষিপণ্যের গুণমান ও বাজার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের কৃষকদের আয় বৃদ্ধির ওপর সরকার জোর দিচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

রতন লাল নাথ আরও বলেন, ত্রিপুরার অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রাজ্যের গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট (GSDP)-এ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ৪৮ শতাংশ, অন্যদিকে পরিষেবা খাতের অবদান প্রায় ৪১ শতাংশ।

আরও পড়ুন:  শিক্ষা ও জাতীয় চেতনার মিলনক্ষেত্র: ফকিরমুড়ায় মা সৌন্দর্য চিন্ময়ী মন্দিরের শুভ উদ্বোধন করলেন মোহন ভাগবত!

আন্তর্জাতিক এই ক্রেতা-বিক্রেতা বৈঠকের মাধ্যমে ত্রিপুরার জৈব ও কৃষিজ পণ্য বিদেশের বাজারে আরও বেশি করে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য নতুন বাজার সৃষ্টি এবং মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে তাঁদের আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment