---Advertisement---

‘সুখেন্দুবাবুকে কেউ বদমাশ বলবে না’, রাজ্যসভার প্রার্থীকে নিয়ে অকপট দিলীপ

By Suman Debnath

July 11, 2026 11:40 AM

‘সুখেন্দুবাবুকে কেউ বদমাশ বলবে না’, রাজ্যসভার প্রার্থীকে নিয়ে অকপট দিলীপ

---Advertisement---





তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে পাওয়া রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। তারপর বিজেপিতে যোগ দিলেন। আর বিজেপি এই তিনজনকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে। এই নিয়ে নানা মহলে নানা কথা হচ্ছে। সমালোচনাও হচ্ছে। কারণ এই সবকিছুই হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর। তবে তৃণমূলের আর পাঁচজনের সঙ্গে এদের গুলিয়ে ফেলতে রাজি নন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শনিবার এই বিষয়ে সপাটে জবাব দিলেন তিনি।

তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের পর রাজ্যসভায় নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন এই তিন রাজনীতিবিদ। তা নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও নানা কথা বলা হচ্ছে। এবার এই তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। এঁরা তিনজন সল্টলেকের রাজ্য বিজেপি দপ্তরে শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন। আর তারপরই ঘোষণা করা হয় এই রাজ্য থেকে তিনটি খালি হওয়া রাজ্যসভার পদে তাঁদেরকেই পাঠানো হচ্ছে। এই কথা ঘোষণা হওয়ার পর অনেকেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সমালোচনা করেছেন। এঁরা ভাল তৃণমূল। তাই নেওয়া হয়েছে বলেও কটাক্ষ করা হয়।

আরও পড়ুন:  গ্রেফতারির আশঙ্কায় সুপ্রিম কোর্টে সুমিত রায়, জমি-দুর্নীতি মামলায় হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ

তবে এসব সমালোচনা, কটাক্ষের জবাব সপাটে দিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী। মনে রাখতে হবে শমীক ভট্টাচার্য নিজেও বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ। তাই এই তিনজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। সুতরাং এই নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে জোর চর্চাও শুরু হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে এদিন দিলীপ ঘোষের সপাটে জবাব, ‘শমীক ভট্টাচার্য তো এই ব্যাপারে একা সিদ্ধান্ত নেন না। পার্টির কেন্দ্রীয় স্তরেরও মতামত আছে। উনি শুধু নির্দেশ পালন করেছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির গতিবিধির বিপরীতে এটা হয়েছে। তাই তাঁকে টার্গেট হতে হয়েছে।’

কিন্তু সুখেন্দুশেখর রায় কি ভাল তৃণমূল? বাকিরা বিজেপির চোখে কেমন? এইসব প্রশ্ন এখন নানা মহল থেকে উঠছে। সমাজমাধ্যমেও তা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষ এভাবে বিষয়টিকে দেখছেন না। তাঁর কথায়, ‘কেন্দ্রীয় সরকারকে যদি কাজ করতে হয়, তাহলে আমাদের মেজরিটি লাগবে। যাঁরা রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন শুধু সিম্বল পাল্টে আমাদের সিম্বলে থাকবেন। সুখেন্দুবাবু গুণী লোক। সংসদে আমার সঙ্গে কয়েকবার দেখা হয়েছে। তাঁকে কেউ বদমাশ বলবে না। সুখেন্দুই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি আমাদের মতো তৃণমূল কংগ্রেসের নীতির বিরোধীতা করেছিলেন। তাঁকে সাসপেন্ডও হতে হয়েছিল।’

আরও পড়ুন:  ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে পুরসভাগুলির ভোট কবে? বড় আপডেট দিলেন মন্ত্রী অর্জুন

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment