---Advertisement---

সল্টলেকের অফিসপাড়া যেন মৃত্যুপুরী, একের পর এক দোকান ভাঙলেন হকাররা

By Suman Debnath

July 13, 2026 5:00 PM

সল্টলেকের অফিসপাড়া যেন মৃত্যুপুরী, একের পর এক দোকান ভাঙলেন হকাররা

---Advertisement---





চা, মোমোর স্টল থেকে ভাতের হোটেল। সেক্টর ফাইভের অফিস পাড়ায় ফুটপাথের দুধার দিয়ে রয়েছে এরকমই একাধিক ফাস্ট ফুডের দোকান। বাংলার আইটি হাব নামে পরিচিত সেক্টর ফাইভে শুধু আইটি সেক্টরের অফিস নয়, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিসও রয়েছে। কর্মসূত্রে সেখানে নিত্যদিন হাজার হাজার মানুষ আসেন। সেই অফিস পাড়ায় কর্মরতদের একাংশের প্রতিদিনের খাবারের অন্যতম ভরসার জায়গা ছিল ওই দোকানগুলি। রবিবার থেকেই সেইসব খাবারের দোকানের হকাররা নিজেদের দোকান ভাঙতে শুরু করলেন।

নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি ফুটপাথের ধারের একাধিক দোকানদারদের নোটিস দিয়েছিল। সোমবারের মধ্যে অস্থায়ী দোকানের কাঠামো-সহ পুরোটা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্ত তার আগেই নিজেদের দোকান তুলে ফেলার কাজ শুরু করলেন হকাররা। সোমবারই সেক্টর ফাইভের রাস্তার দুধার কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। তবে দোকান তুলে দেওয়ার পরে অফিস পাড়ায় আগত কর্মরতদের কথা ভেবে চিন্তায় পড়েছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুন:  ‘রাজনীতি যখন ব্যবসায় পরিণত হয় তখন সেই দলের এই হাল হয়’, অভিষেককে দুষে তৃণমূল ছাড়লেন তপন

জানা গিয়েছে, বিধাননগর পুরসভা সেক্টর ফাইভে রাস্তার ধারে অস্থায়ী দোকানগুলিকে প্লাস্টিক বা ত্রিপলের ছাউনি তৈরি করে ব্যবসা চালানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, দোকানে কোনও প্লাস্টিক বা ত্রিপল দিয়ে ছাউনি তৈরি করা যাবে না। এর জন্য শুধুমাত্র ছাতা ব্যবহার করা যাবে। এর পাশাপাশি কোনও স্থায়ী বা অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।

তবে এখানেই শেষ নয়। নির্দেশ অনুযায়ী, দোকানে কোনও ধরনের আগুনের ব্যবহার করা যাবে না। সেক্ষেত্রে দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বা উনুন ব্যবহার করা একেবারে নিষিদ্ধ। এর ফলে দোকানে চা, কফির পাশাপাশি কোনও খাবার রান্না করা যাবে না। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পিছনে প্রশাসনিক আধিকারিকেরা নিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছে। পর পর প্লাস্টিকের ছাউনি দিয়ে তৈরি অস্থায়ী দোকানে আগুন ব্যবহার করলে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ে। এর ফলে একটি দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। দোকানগুলি  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হওয়ায় বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কাও থাকে।

আরও পড়ুন:  শনিবার ভোরে মিলল দময়ন্তীর খোঁজ, দু’দিন কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে চলছে খোঁজ

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment