---Advertisement---

‘চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি’, অভিষেককে নিশানা করে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

By Suman Debnath

July 22, 2026 11:05 AM

‘চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি’, অভিষেককে নিশানা করে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

---Advertisement---


একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিকে ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল। কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে কর্মীদের কলকাতায় আসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলার পর বুধবার পাল্টা আক্রমণে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর মন্তব্য— “চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি”— ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

বুধবার সকালে প্রাতঃভ্রমণের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)-এর বক্তব্যের জবাব দেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি দাবি করেন, বিজেপি কারও পথ আটকায়নি বা কর্মীদের কলকাতায় আসতে বাধা দেয়নি। বরং অতীতে বিজেপি কর্মীরা যে ধরনের রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়েছেন, সেই প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ বলেন, “দিন পাল্টেছে বলেই আপনারা এখনও রাজনীতি করতে পারছেন। আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তার তুলনায় আমরা কিছুই করিনি। চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারতাম। এখনও চাইলে পারি। কিন্তু আমরা সংযম দেখাচ্ছি।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘হাসপাতালের মধ্যে গুটখা, পান খাওয়া যাবে না’, কড়া বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখানেই থেমে থাকেননি বিজেপি নেতা। তিনি আরও বলেন, “আগের দিলীপ আর এখনকার দিলীপ এক নয়। সংযম দেখাচ্ছি, সেটাকে দুর্বলতা ভাববেন না।” পাশাপাশি তাঁর দাবি, বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের আটকানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর কথায়, বিরোধী দল নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকতেই এমন অভিযোগ করছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তৃণমূল কর্মীদের পথে আটকে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই বহু সমর্থক কলকাতার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষ অতীতের একাধিক রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ বারবার উঠেছিল। এমনকি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (J. P. Nadda)-র কনভয়ে হামলার ঘটনাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:  স্কুলের চাঙড় ভেঙে বিপত্তি, অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা ছাত্রছাত্রীদের

একুশে জুলাই-পরবর্তী এই বাগযুদ্ধ রাজ্যের রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। তৃণমূলের অভিযোগ এবং বিজেপির পাল্টা জবাবের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে



Google News







এবং Google Discover



Google Discover



-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment